রফিক-উল হকের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক

প্রকাশ: ২০২০-১০-২৪ ০৭:৪৪:৪২ 129 Views

Spread the love

কর্ণফুলী ডেস্ক: সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল রফিক-উল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) এক শোকবার্তায় মরহুমের শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ । 

এক শোক বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক বিষয়ে ব্যারিস্টার রফিক-উল হক নানা পরামর্শ দিতেন। তিনি বলেন, ২০০৭ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাঁকে মিথ্যা মামলায় বন্দি করে। সেই দুঃসময়ে ব্যারিস্টার রফিক-উল হক তাঁকে কারাগার থেকে মুক্ত করতে আইনি লড়াইয়ে এগিয়ে আসেন। শেখ হাসিনা গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে সে কথা স্মরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এছাড়া তার মৃত্যুতে আরো শোক প্রকাশ করেছেন, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে মারা যান প্রবীণ এই আইনজীবী। তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।সকালে আদ-দ্বীন হাসপাতাল প্রাঙ্গনে রফিক উল হকের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তার মরদেহ পল্টনে বাসায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখান থেকে জানাজার জন্য মরদেহ নেওয়া হবে বায়তুল মোকাররমে। পরে বাদ জোহার তার দীর্ঘদিনের কর্মস্থল সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে বিকালে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে আদ-দ্বীন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন রফিক-উল হক। রফিক-উল হকের স্ত্রী ফরিদা হক বেশ কয়েক বছর আগে মারা যান। তার ছেলে ফাহিম-উল হকও আইনজীবী।

রফিক-উল হকের জন্ম ১৯৩৫ সালে। ১৯৬০ সালে তিনি আইন পেশায় আসেন। ১৯৯০ সালে তাকে অ্যাটর্নি জেনারেল করা হয়।



চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক : মোঃ আব্দুল আজিজ
ডিএমডি : মোঃ আরমান তারেক

বার্তা কক্ষ :

ঢাকা অফিস : ৩৭৩, দিলু রোড, মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
চট্টগ্রাম অফিস : সায়মা আবুল স্কয়ার,বড়পুল,হালিশহর,চট্টগ্রাম।
ফোন : ০১৩০৬৭৩৪২৪০
মেইল : channelkornofuli.org@gmail.com