পরীক্ষাগার বাড়লেও বাড়েনি শনাক্তের হার, সংক্রমণ দ্বিগুণ হওয়ার আশঙ্কা

প্রকাশ: ২০২০-০৪-০৪ ০৫:৩৬:৪৮ 103 Views

আইইডিসিআর এর পাশাপাশি এখন সারাদেশে ১৪ টি স্থানে সুযোগ মিলছে করোনা পরীক্ষার। যদিও এসব ল্যাবে আশঙ্কাজনক হারে বাড়েনি করোনা সন্দেহভাজনের সংখ্যা, বাড়েনি পজেটিভ কেসও। তাহলে কি এদেশে কিছুটা কম ভয়ঙ্কর হচ্ছে কোভিড ১৯। নাকি ভাইরাস ভিন্ন আচরণ করছে?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন সংক্রমণের হার কম মানেই ঝুঁকিমুক্ত নয়। তবে পরিকল্পনা করতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক। প্রস্তুত থাকতে হবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলার।
পৃথিবী কাবু করোনায়। সে অনুপাতে এখনো অনেকটা ভালো অবস্থানে বাংলাদেশ। প্রথম শনাক্ত ৮ মার্চ। গেলো সাতাশ দিনে আক্রান্তের সংখ্যা ষাটোর্ধ্ব। আইসোলেশনে থাকার অংকটা তিন শতাধিক।
শুরুতে কেবল আইইডিসিআর থেকে করোনা শনাক্তের পরীক্ষার ব্যবস্থা থাকলেও গেলো এক সপ্তাহে এই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৪টি। আইইডিসিআর এর তথ্য মতে, গত এক সপ্তাহে করোনা সন্দেহে টেস্টের হার বেড়েছে কয়েক গুণ। আর পরীক্ষার পরিধি বাড়ার পর বেড়েছে শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যাও। এই সক্ষমতা আরো বাড়ানোর কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
প্রশ্ন উঠেছে রোগীর সংখ্যা কম বলেই কি সরকারি নির্দেশনা মানতে অনীহা অনেকের? নাকি ইতালি, স্পেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে এদেশে কিছুটা ভিন্ন আচরণ করছে কোভিড উনিশ।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক রিদওয়ানউর রহমান বলেন, রোগীর সংখ্যা কম হয়েছে এটা তো বটেই। এছাড়া রেইনফল ও হিউমিডিটিরও ব্যাপার আছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন আবহাওয়া, পরিবেশ, পরিস্থিতি, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কিংবা ভাইরাসের ধরণ- এসব নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় আসেনি এখনো। এই মুহূর্তে দরকার বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ইউজিসি অধ্যাপক এবিএম আব্দুল্লাহ বলেন, গরম পড়ছে বেশি, হিউমিডিটি বেশি এজন্য হয়তবা ভাইরাসের সংখ্যা কম, কারণ টেস্টের সংখ্যা তো বেড়েছে।

লকডাউন এলাকাগুলোকে বিশেষ নজরদারি আর সাধারণ মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে কঠোর হওয়ার তাগিদ তাদের।

ট্যাগ :



চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক : মোঃ আব্দুল আজিজ
ডিএমডি : মোঃ আরমান তারেক

বার্তা কক্ষ :

ঢাকা অফিস : ৬ষ্ঠ তলা,আইভরীকৃষ্ণচূড়া,৩/১ ই পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
চট্টগ্রাম অফিস : সায়মা আবুল স্কয়ার,বড়পুল,হালিশহর,চট্টগ্রাম।
ফোন : ০১৮১৭-৭৪৩৩৮৭
মেইল : channelkornofuli.org@gmail.com