টিকটক-লাইকি ব্যবহারে অপরাধ বাড়ছে

প্রকাশ: ২০২০-১২-১৯ ০৫:২০:৩৫ 88 Views

বর্তমান সময়ে সব বয়সের মানুষের মধ্যে ক্ষুদ্র ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটক ও লাইকি ব্যাপক জনপ্রিয়। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রীরা ব্যবহার করেন অ্যাপসগুলো। বিশ্লেষকরা মনে করেন এসব অপসংস্কৃতির জন্য সমাজে অপরাধ বাড়ছে। বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গির ভিডিও তৈরির জন্য মানসিকতার বিকৃতি ঘটছে বলেও মনে করেন কেউ কেউ। টিকটক, লাইকি ও বিগো লাইভ নিয়ে দুই পর্বের প্রতিবেদনের আজ প্রথম পর্ব ।

এ এক ভিন্ন জগৎ। ক্ষুদ্র ভিডিও শেয়ারের অ্যাপ টিকটক ও লাইকি ব্যাপক জনপ্রিয় তরুণদের মধ্যে। গান ও সংলাপের সাথে ঠোঁট মিলিয়ে ভিডিও তৈরি করেন এসব অ্যাপসের ব্যবহারকারীরা। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে এর ব্যবহারকারী বেড়েছে। সুস্থ ধারার ভিডিওর পাশাপাশি আছে যৌন উস্কানিমূলক ভিডিও।

শুধু তরুণরা নয় সব বয়সের মানুষের আসক্তি বেড়েছে এই অ্যাপসগুলেতে। বয়স এবং সম্পর্কও কোন বাধা হচ্ছে না।

কলেজ শিক্ষার্থী সায়সা আফরিন। টিকটকে তার ১ লাখের বেশি ফলোয়ার। নিয়মিত ভিডিও তৈরি করেন। তিনি জানান, সময় কাটানোর জন্যই টিকটকের ভিডিও বানান।

আরেকজন জানালেন কম সময়ের মধ্যে পরিচিত হবার জন্য এসব অ্যাপ ব্যবহার করেন তিনি।

তবে, এই মাধ্যম ব্যবহারকে ভালো চোখে দেখছেন না মনোবিজ্ঞানীরা। বিকৃত অঙ্গভঙ্গি করে যারা ভিডিও তৈরি করছে তাদের মনোজগতে বিরূপ প্রভাব পড়ছে বলে মনে করেন তারা।

টিকটক ও লাইকির ভিডিওর শুটিং হয় রাজধানীর আগারগাঁও, হাতিরঝিল, দিয়াবাড়ি, চন্দ্রিমা উদ্যানসহ বিভিন্ন স্থানে। ফুটপাত বন্ধ করেই চলে শুটিং। অনেক সময় এসব ভিডিওর শুটিং-এর মধ্যে টিনেজারদের অশ্লীল কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়ার ঘটনাও ঘটছে। এসব অ্যাপ ব্যবহার করতে দেখা যায় জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রীদেরও। এতে উৎসাহিত হচ্ছে তাদের ফলোয়াররা।

সমাজ বিজ্ঞানীরা বলছেন টিকটক-লাইকির মতো অ্যাপসের বহুল ব্যবহারে সমাজে বিচ্যুতি ঘটছে।

বিশ্লেষকরা মনে করেন এই অ্যাপসগুলো দ্রুত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে হবে। রাষ্ট্রীয় ও পারিবারিক পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির তাগিদও দেন তারা।

ট্যাগ :



চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক : মোঃ আব্দুল আজিজ
ডিএমডি : মোঃ আরমান তারেক

বার্তা কক্ষ :

ঢাকা অফিস : ৩৭৩, দিলু রোড, মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
চট্টগ্রাম অফিস : সায়মা আবুল স্কয়ার,বড়পুল,হালিশহর,চট্টগ্রাম।
ফোন : ০১৩০৬৭৩৪২৪০
মেইল : channelkornofuli.org@gmail.com