ধর্ষণ মামলায় মেডিকেল রিপোর্ট মুখ্য নয়: হাইকোর্ট

প্রকাশ: ২০২০-১০-১৪ ২০:২৬:০৭ 90 Views

ধর্ষণ মামলা প্রমাণে এখন থেকে মেডিকেল রিপোর্ট আর মুখ্য নয়। পারিপার্শিক অবস্থা ও সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেয়া যাবে।

খুলনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধর্ষণের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ইবরাহিম গাজীর সাজা বহাল রেখে বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ (বুধবার) এ রায় ঘোষণা করেন।

সেই সঙ্গে কোন ভুক্তভোগী দেরি করে মামলা করলেও সেটিকে মিথ্যা বলা যাবে না বলেও রায়ে উল্লেখ করেছেন হাইকোর্ট।

আদালত বলেন, শুধু ডাক্তারি পরীক্ষা না হওয়ার কারণে ধর্ষণ মামলার আসামি খালাস পেতে পারে না। ভিকটিমের মৌখিক সাক্ষ্য ও অন্যান্য সাক্ষ্য দ্বারা আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার ভিত্তিতে তাকে সাজা দেয়া যেতে পারে।

২০০৬ সালে খুলনার দাকোপ থানায় তাসলিমা নামে ১৫ বছরের কিশোরী মামলা করতে যান। কিন্তু মামলা না নিয়ে সালিশের প্রস্তাব দেয় পুলিশ। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর বাবা আদালতে মামলা করেন। কিন্ত তাতেও পুলিশের চাপে হয়নি মেডিকেল পরীক্ষা। সেসময় ইবরাহিম গাজীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন খুলনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। পরে আপিল করে আসামি।

আজ এই মামলায় আসামি ইব্রাহীম গাজীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখে হাইকোর্ট বলেন, বিলম্ব মানেই কোনো মামলা মিথ্যা নয়। শুধুমাত্র ডাক্তারি পরীক্ষা না হওয়ার কারণে ধর্ষণ প্রমাণ হয়নি বা আপিলকারী ধর্ষণ করেনি এই অজুহাতে আসামি খালাস পেতে পারে না।

আদালত তার রায়ে আরো বলেন, ধর্ষণের শিকার ঐ কিশোরী যেন বিচার না পায় সেজন্য খুলনার দাকোপ থানা পুলিশ সে সময় সব চেষ্টাই করেছিলো।

ট্যাগ :



চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক : মোঃ আব্দুল আজিজ
ডিএমডি : মোঃ আরমান তারেক

বার্তা কক্ষ :

ঢাকা অফিস : ৬ষ্ঠ তলা,আইভরীকৃষ্ণচূড়া,৩/১ ই পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
চট্টগ্রাম অফিস : সায়মা আবুল স্কয়ার,বড়পুল,হালিশহর,চট্টগ্রাম।
ফোন : ০১৮১৭-৭৪৩৩৮৭
মেইল : channelkornofuli.org@gmail.com