চাঁদপুরের দূর্গাদীতে মামলার বাদী পক্ষকে হয়রানির অভিযোগ

প্রকাশ: ২০২০-১০-০৮ ১৭:২৯:১৪ 85 Views

প্রান কৃষ্ণ দাসঃ চাঁদপুর সদরের ৯নং বালিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের দূর্গাদী গ্রামের মৃত মো. ছফি উল্লার ছেলে মো. ছানা উল্লা দেওয়ান(৬০) কে তার সম্পদ রক্ষার মামলার বিবাদী পক্ষ নানাভাবে হয়রানি করছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।৮ই অক্টোবর বৃহস্পতিবার তিনি সাংবাদিকদের কাছে এই অভিযোগ করেন।তিনি জানান,তাঁর এলাকাতে পৌনে ৪ শতাংশ দখলকৃত জমি হারানোর আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় তিনি আদালতে মামলা করেছেন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নং-৭১৯/২০। আর ওই মামলাতে আইন অমান্যকারী পরধনলোভী মৃত জসিম মিজির ছেলে মো. মাসুম মিজি(২৮), মো. মানিক মিজি(২৬), মৃত হাবিব উল্লা মিজির ছেলে মো. মহসীন মিজি(৩৬), মৃত সেকান্তর খানের ছেলে মো. ফারুক আহম্মদ খান (৫৮) সহ একজোটবদ্ধ ভূমি দস্যু লোককে বিবাদী করা হয়েছে।আর এরপরই একের পর একভাবে হয়রানি করা হচ্ছে তাকে ও তার স্বজনদের।তিনি জানান, এই জায়গাটির চলমান মামলার বাদী আমি মো. ছানা উল্লা দেওয়ান(৬০)।আর এই মামলার সাক্ষী দূর্গাদীর মৃত আমিন উল্লা বেপারীর স্ত্রী মোসাঃ নাছিমা বেগম এবং হান্নান মিজির ছেলে আলমগীর।যারা এই নালিশী ভূমিটি বিগত ১৪-১১-১১ ইং তারিখে ৮৯৬৪/১১ ইং সাফ কবলা দলিল মূলে ক্রয় করেছি। এরপর থেকে নিজ নামে খারিজ খতিয়ান সৃজনক্রমে ওই ভূমিতে দোকান ঘর নির্মাণ করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখল করে আসছিলাম। অথছ প্রতিপক্ষগণ গায়ের জোরে অন্যায়ভাবে লাভবান হওয়ার জন্য নালিশী এই ভূমি হতে আমাদেরকে বেদখল করার জন্য উঠেপরে লেগেছেন।তিনি আরো জানান,নালিশী ভূমিটি ছিলো চাঁদপুরের অধীনস্থ ১১১নং দূর্গাদী মৌজার নামজারী জমা, খারিজ মোকদ্দমা নং-১৯৫৩/১১-১২ইং খারিজী ২৮৮নং খতিয়ানে সাবেক ৩৫৪ দাগে বি. এস. হাল ৫৭২ দাগে অন্দরে ভিটা .০৩৮৭ একর ভূমি। যার উত্তরে সরকারি রাস্তা, দক্ষিণে মসজিদের পুকুর, পূর্বে মসজিদ এবং পশ্চিমে ফারুক। এদিকে স্মারক নং-১৫১৫ এর মাধ্যমে চাঁদপুর সদরের সহকারী কমিশনার(ভূমি) ইমরান হোসেন সজীবকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে জোরপূর্বক দখল এবং শান্তি ভঙ্গের কোন সম্ভাবনা আছে কিনা? সেটির সরেজমিন তদন্ত প্রতিবেদন সার্ভেয়ার কর্তৃক স্কেচম্যাপের মাধ্যমে ১৪ই অক্টোবরের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অসীম চন্দ্র বনিক।আর এরপর থেকেই ওই মামলার বিবাদী পক্ষরা আমাদেরকে সামাজিকভাবে উৎখাত করতে একের পর এক অপচেষ্টা চালাচ্ছে।তিনি প্রতিনিয়ত হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন জানিয়ে আরো বলেন,আমরা জায়গা সংক্রান্ত কাগজপত্র অডিটের বিষয়ে বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার সময় আমাদের লোকজনকে প্রতিপক্ষরা বাঁধা প্রদান করেন।বিশেষ করে মাসুম মিজি,মানিক মিজি,ফারুক খান,মহসিনসহ অজ্ঞাত আরো ১০/১৫জন প্রভাব বিস্তার করে আমাদের পদে পদে বাঁধাগ্রস্থ করছেন।ঐ সময়ে চরম নিরাপত্তাহীনতা ভোগ করে আমার সাথে থাকা রাছেল বেপারী,রুহুল আমিন তালুকদারসহ অন্যান্যরা তাদের ভয়ে দ্রুত সরে পড়েন।তিনি বলেন,আমরা জানতে পেরেছি এসব অনৈতিক কর্মকান্ড স্থানীয় বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের ছত্রছায়ায় করা হচ্ছে।এমনকি ঐসমস্ত প্রতিপক্ষরা আমার জায়গার দোকান ঘরে লাগানো বৈদ্যুতিক মিটার ভাঙ্গারও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন।এ অবস্থায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ভোগ করে আমরা বিপাকের মধ্যে দিনাতিপাত করছি। এ ব্যপারে অভিযোগের বিষয়ে মাসুম মিজি,মানিক মিজি,ফারুক খান এবং মহসিনের বক্তব্য নেওয়া যায়নি।তবে এ বিষয়ে বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম মিয়াজী জানান, আমার ইউনিয়ন পরিষদে জমির কাগজপত্র অডিট করতে এসে কেউ বাঁধাগ্রস্থ হয়েছে এমনটি আমার জানা নেই।আর এমন কোন অভিযোগও আমার জানা নেই।কেউ যদি সমস্যাগ্রস্থ হয় তা আমাকে জানালে অবশ্যই সমস্যা সমাধানে ব্যবস্থা নিবো।কিন্তু এমন কোন ঘটনা এখন পর্যন্ত আমার জানা নেই।তার ছত্রছায়ায় এগুলো করা হচ্ছে এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান,আমি চেয়ারম্যান হয়েছি মানবসেবা করতে।কোন ভূমিদস্যুকে ছত্রছায়া দিতে নয়।তাছাড়া কোন ভূমিদস্যুর সাথে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই। তাই আমার ছত্রছায়ায় এ ধরনের অনৈতিক কর্মকান্ড করা হচ্ছে অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
Channel Kornofuli

ট্যাগ :



চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক : মোঃ আব্দুল আজিজ
ডিএমডি : মোঃ আরমান তারেক

বার্তা কক্ষ :

ঢাকা অফিস : ৬ষ্ঠ তলা,আইভরীকৃষ্ণচূড়া,৩/১ ই পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
চট্টগ্রাম অফিস : সায়মা আবুল স্কয়ার,বড়পুল,হালিশহর,চট্টগ্রাম।
ফোন : ০১৮১৭-৭৪৩৩৮৭
মেইল : channelkornofuli.org@gmail.com